পোস্টগুলি

এই শুনছো

এই শুনছো মিষ্টি দে তুমি যদি সাগর হতে আমি হতাম তোমার ওপর  বয়ে চলা ঢেউ  তোমার মনের সকল কথা জানতো না আর কেউ   তুমি যদি আকাশ হতে আমি হতাম সেই আকাশের চাঁদ  দিনের বেলায় সবার মাঝে  লুকিয়ে যেতাম তোমার বুকে রাতের আকাশে প্রেমের আলোয় ভরিয়ে দিতাম সুখে তুমি যদি আমার হতে আমার ভালোবাসা  সত্যি বলছি  এটাই আমার বেঁচে থাকবার  একমাত্র  আশা।।

অব্যাহতি

ছবি
অব্যাহতি  "ভুত বলে কিছু হয়না । ভুত বলে কিছু হতে নেই ।" অঝোর বৃষ্টির ধারা বেয়ে রাত জেগে জেগে  অক্লান্ত ঘুমের কাতরে  মাঝে মাঝে ঘুমের ঝুলে অবসন্ন মনের - আবোল তাবোল লেখা । তার ই মাঝে  ভূতের স্বপ্নে  ঘুম ভাঙা রাত স্বপ্নে ভেসে আসা সুর - "ভুত বলে কিছু হয়না । ভুত বলে কিছু হতে নেই ।" কঙ্কাল সার  অশরীরী , আত্মা ! নাকি অতীতের থেকে পালিয়ে বাঁচা - একরাশ ভুলে ভরা অবকাশহীন রাত  ভুলে যেতে চায় ভুলের হিসেব রাখা চাঁদ  অতীতের গহনে অতীতের কবর দিয়ে বর্তমান আর ভবিষ্যতের নতুন' সুর বাঁধা সুর "ভুত বলে কিছু হয়না । ভুত বলে কিছু হতে নেই ।"

সুকুমারী দত্ত

ছবি
 পর্ব ২ সুকুমারী দত্ত  ১৮৭৩ সাল  বাংলা  নাটকের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সংযোজন । এই বছর ই বাংলা নাটকে বেঙ্গল থিয়েটার পাকাপাকি ভাবে অভিনেত্রী নিয়োগ  করে ।   সাধারণ রঙ্গালয়ের জন্য প্রথম চারজন অভিনেত্রী গ্রহণ করে ।  জগত্তারিনী, গোলাপ সুন্দরী, এলোকেশী এবং শ্যামা, তার মধ্যে উল্খেযোগ্য ছিলেন গোলাপ সুন্দরী । গোলাপ সুন্দরী র প্রথম মঞ্চাবতরণ ১৮৭৩এর ২৩শে আগস্ট বেঙ্গল থিয়েটারের দ্বিতীয় অভিনয়ে  "শর্মিষ্ঠা " নাটকে শর্মিষ্ঠার চরিত্রে  । বেঙ্গল থিয়েটারের উদ্বোধনী অভিনয়  ১৬ই আগস্ট  কে করেছিলেন সেই বিষয়ে তেমন করে কোথাও উল্লিখিত নেই। বেঙ্গল থিয়েটারের হয়ে গোলাপ সুন্দরী বেশ কিছু অভিনয় করেন। তার মধ্যে উল্খেযোগ্য বিমলা (নাটক দুর্গেশ নন্দিনী), মলিনা (অশ্রুমতি), ঐলবিলা(নাটক পুরু বিক্রম), এছাড়া ও নাটক মায়াকানন, কৃষ্ণ কুমারী, রত্নাবলী, সপ্নাধন, একেই কি বলে সভ্যতা প্রভৃতি নাটকে অভিনয় করেন। ১৮৭৪ এর শেষ দিকে গোলাপ সুন্দরী গ্রেট ন্যাশনাল এ যোগ দেন । বেঙ্গল থিয়েটারে তার গুরু ছিলেন শরৎচন্দ্র ঘোষ এবং বিহারীলাল চট্টোপাধ্যায়। গ্রেট ন্যাশনালে সাহচর্যে  এলেন অর্...
আজ জাগবে ঘুম ভাঙা পাখি  আজ জাগবে সঙ্গে সেই মন আজ আকাশে উড়বে আমার ঘুড়ি  ভোঁকাটা হবে তোমার সেই জন

পথভ্রষ্ট

Motivational quoteপথভ্রষ্ট মিষ্টি দে    একটা অন্ধকার ধীরে ধীরে  গ্রস করছে চেতনা ।  জীবনের ভালোবাসা আরো বেশি করে আকড়ে  ধরতে চাইছে । শেষ নিশ্বাস বায়ু  আরো কিছুক্ষণ  ঝাঁঝড়া ফুসফুসে এ বাঁক ও বাঁক নিয়ে শরীরের মায়ায় ঘুরেই চলেছে  কোনো আগন্তুক এর অপেক্ষায়। হটাৎ  শ্বেত শুভ্র বসনা  মূক্তি আলোয় আলোকিত  নতুন ভোরের বার্তা নিয়ে  কে এসে দাঁড়ালো ওইখানে  উদার্ত কন্ঠস্বরে ডাকলো নাম ধরে  যে নাম হারিয়ে গেছে  সময়ের  স্রোতে , সেই নামের  জয়ধ্বনি তে ভরে উঠলো আকাশ মূহুর্তে মেঘ গেলো কেটে বহুদিনের বেসুরো বীনায়  সুরের ধ্বনি উঠলো বেজে ভোরের রাগ উঠলো সেজে   বেঁচে উঠলো পথ ভ্রষ্ট পর্যটক  আরো একবার ঘুরে দেখবার প্রত্যাশায় ।। ..... Misti De

বন্ধু আমার

ছবি
“কাউকে সারা জীবন কাছে পেতে চাও? তাহলে প্রেম দিয়ে নয় বন্ধুত্ব দিয়ে আগলে রাখো। কারণ প্রেম একদিন হারিয়ে যাবে কিন্তু বন্ধুত্ব কোনদিন হারায় না”। উইলিয়াম শেক্সপিয়র  “অন্ধকারে একজন বন্ধুর সঙ্গে হাঁটা আলোতে একা হাঁটার চেয়ে ভালো”। – হেলেন কেলার “বন্ধুত্ব গড়তে ধীরগতির হও। কিন্তু বন্ধুত্ব হয়ে গেলে প্রতিনিয়তই তার পরিচর্যা করো”। – সক্রেটিস “আমার বন্ধুর জন্যে সবচেয়ে বেশি যা করতে পারি তা হলে শুধু বন্ধু হয়ে থাকা। তাকে দেয়ার মতো কোন সম্পদ আমার নেই। সে যদি জানে যে আমি তাকে ভালবেসেই সুখী, সে আর কোন পুরস্কারই চাইবে না। এক্ষেত্রে বন্ধুত্ব কি স্বর্গীয় নয়?”। – হেনরি ডেভিড থিওরো সম্পূর্ণ কবিতা                  Click to get more quote  about friendship / বন্ধু নিয়ে আরো সুন্দর কিছু উক্তি পেতে ক্লিক করুন

প্র নাগরিক ও দ্বি নাগরিক

প্রঃ না - আমাদের মহারাণী লাবন্য লতিকার কি দয়ার শরীর-   দ্বিঃ না - তুমি কি করে জানলে,   প্রঃ না - আরে আগের মহারাজ , মহারাজ বিক্রমশালী, কিরকম অত্যাচারী রাজা ছিলেন বল- তাকে পরাস্ত করে যখন আমাদের মহারাণী যখন সিংহাসনে বসলেন, তখন যদি রানীমা চাইতেন বিক্রমশালী কে প্রাণে মেরে দিতে পারতেন, কিন্তু না প্রাণে মারেন নি-   দ্বিঃ না - তাহলে-   প্রঃ না - মহারাজ গরম শিশে বিক্রমশালীর গলায় ঢেলে দিয়ে শুধু মুখ বন্ধ করে দিয়েছেন হেঃ হেঃ হেঃ।         দ্বিঃ না _ অ্যাঃ   প্রঃ না - আরে হ্যাঁ- তা ছাড়া আর বলছি কি! শুধু তাই নাকি- রাজবাড়িরই একটা আলিশান কক্ষে স্বয়ং মহারাজের নিজের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে শুনেছি। তবে সবই শোনা কথা- আমি তো আর রাজবাড়ির ভেতরে ঢুকে দেখিনি-   দ্বিঃ না - হ্যাঁ ঠিক ঠিক ঠিক।   প্রঃ না - অনেক ভেল্কি দেখিয়ে মহারাজ তবে সিংহাসনে বসেছেন-   দ্বিঃ না - ভেল্কি! ভেল্কি কেন?   প্রঃ না - যেমন কথা বলো তুমি, আরে লাঠি খেলতে গেলে লাঠি চালানো জানতে হয় তো?   দ্বিঃ না...