পোস্টগুলি

অস্পষ্ট

অস্পষ্ট মিষ্টি দে বিশ্বাসের ছবি বরাবরই অস্পষ্ট তবুও বিশ্বাসে বাঁধা থাকে মন অচেনা আলোয় আঁধার কাটে  মাথা উঁচু করে দাঁড়ায় ক'জন???

অন্ধকার বেলুড়

অন্ধকার বেলুড় মিষ্টি দে বেলুড় হলো অন্ধকার মিথ্যা আড়ম্বর এর ধোঁয়ায় ভগবান আজ প্রতিবন্ধী ভক্তের লান্ছনায়। সাদা মার্বেলে কাদার ছাপ আবর্জনা আর ময়লা সে যে ভগবানের পাহারাদার তার পরনে গেরুয়া চোখের জলে মুছবে না আর মনের ধুলো আর ময়লা ধর্ম যোগী কর্ম যোগী মিথ্যা পূজা প্রার্থনা ।।

অক্ষম

অক্ষম মিষ্টি দে আমি প্রতিবন্ধী হুইলচেয়ার ই আমার স্থান পরিবর্তনের সম্বল কোমোর থেকে পা দুটো অকেজো তাই আমার অধিকার মেলেনি ভগবানের পা ছোঁয়ার হা সেই ভগবান, যাকে চিনেছি মায়ের কথায় প্রানের ঠাকুর প্রেমের ঠাকুর যার কাছে  উঁচু নিচু বলে কোনো ভেদ নেই, ধর্মের বেড়াজাল যে ভাঙে হা সেই ঠাকুর যে পতিত পাপী সকলকে বুকে জরিয়ে মুক্তির পথ দেখায় হা সেই ঠাকুর যার আদর্শ বুকে নিয়ে কর্ম যোগী সন্ন্যাসী পৃথিবী জয় করে সেই গেরুয়া পরিহিত সন্ন্যাসী । তোমার কাছে প্রশ্ন শুধু ঠাকুর তোমার উদ্দেশ্যের ধারক বাহক আমায় অধিকার দিল না তোমার  পা ছোঁবার আমার স্থবিরতাকে জয় করে তোমার কাছে আসা আমার দুঃসাহস আমার হুইলচেয়ারের ধুলো ময়লা কি পৃথিবীর নিকৃষ্ট পাপের থেকেও পাপ? নাকি আমার শারীরিক  অসমর্থতা মহাপাপ ?? তবে ঠাকুর আজ কি মনে হচ্ছে জানো, আমার  শারীরিক অক্ষমতা তুচ্ছাতিতুচ্ছ তোমার  ওই গেরুয়াধারি আজকের তথাকথিত সন্ন্যাসীর মনের অক্ষমতার থেকে।।.

Mon

মন খারাপের গলি  থেকে ভালো লাগার রাজপথ যাত্রা টা খুব পিচ্ছিল দুর্গম কাঁটা ফেলা রাস্তায় শুধু হেঁটে যাওয়া মনে করি লাল কার্পেটে গর্বের চলা......... মিষ্টি দে

শুরু

শুরু মিষ্টি দে কবিতা আমার জীবন পাহাড় ডিঙিয়ে ছুটে চলে সময়ের আস্তরণ ছিড়ে , এসো এ যুগের কবি নির্ভিক লেখনীতে  ভাঙো জীবনের  যতো ভয় কুঁকড়ে  বাঁচার দিন হোক শেষ চির শেষের আগে , একবার জ্বলুক আলো একবার গেয়ে উঠি সেই বিজয় সঙ্গীত একবার বিজয় মালা তৈরি হোক তোমার উদ্দেশ্যে তারপর, যদি শেষ হয়  , হোক শেষ চির সর্বনাশের আগুন উঠুক  জ্বলে কবি তোমার লেখার ঔদ্ধত্যে ভয়ের প্রাচীর পড়ুক ভেঙে আমার অস্তিত্ব,  তোমার অস্তিত্বে যাক মিশে তারপর সময়ের যোজ্ঞে আহুতি পরুক একসাথে আত্মহুতীর পরম শান্তিতে চিরশান্তির ঘুম আসুক নেমে।

গোপন ভালোবাসা

গোপন ভালোবাসা চলো ভালোবাসি গোপনে মনের অন্তরে এসো ভলোবাসি ভালোবেসে চুপি চুপি আড়ালে

মুখোশ

মুখোশ আশে পাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে মানুষের মুখোশে ঢাকা কিছু সরিসৃপ ছোবলের তীব্রতা এতো বেশি অনুভূতির সীমা রেখাকে করে অতিক্রম অনবরত মুখোশ পড়া মানুষ নেই মান নেই হুঁশ এরাই কি সেই??? যাদের গল্প শুনেছিলাম মা দিদিমা ঠাকুমার কাছে আর মনে মনে ভেবেছিলাম বড়ো হয়ে ঘোড়ার পিঠে চড়ে এক তলোয়ারের আঘাতে করবো শেষ .......... আজ যখন বহু সময়ের পরে নিজেকে বড়ো ভেবে নিজের চেতনার সাথে হলাম মুখোমুখি নেই অস্ত্র,  নেই সামর্থ্য শুধু বার বার ভুল হলো মুখোশের চটকদারি বুদ্ধি কে করলো ধংশ যেমন রূপকথার গল্পের রাজকন্যার হয়েছিল .... মুখগুলো সব মুখোশ রূপকথার গল্পের এরাই হয়তো সেই রাক্ষস ।।।। মিষ্টি দে